রবিবার, ০১ অগাস্ট ২০২১, ০৫:০০ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
পটুয়াখালী ২৫০ শয্যা মেডিকেল হাসপাতালে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানের চিকিৎসা সরঞ্জাম হস্তান্তর। রাজশাহীতে চাঁদাবাজী ও সন্ত্রাস রোধে বসানো হলো পাঁচটি সিসি ক্যামেরা রাজশাহীতে নারী ও শিশু নির্যাতন পরিস্থিতির অবনতি ঘটছেঃ লফস নাটোরে স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধিদের সাথে এডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহীতে করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত ১২ হাজার ২২০ পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী দিচ্ছেন মেয়র লিটন রাজশাহীতে কলেজের চুরি যাওয়া কম্পিউটার সামগ্রী উদ্ধারঃ ০৪ জন আটক যে কোন উপায় ফিরতে হবে কর্মস্থলে! বারুইপুর জেলা পুলিশের তৎপরতায় উদ্ধার হল, ৩০, টি দামি মোবাইল ফোন। ফিরেছেন আসল দাবিদারদের ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশের তৎপরতায় উদ্ধার, ১৬০,টি, মোবাইল ফোন। ফিরৎ দিলেন প্রকৃত মালিকদের বাগমারায় এমপি এনামুল হকের উদ্যোগে করোনা টিকার ভ্রাম্যমান ক্যাম্প উদ্বোধন
৭ মার্চের ভাষণ লিখিত ছিল না : প্রধানমন্ত্রী

৭ মার্চের ভাষণ লিখিত ছিল না : প্রধানমন্ত্রী

ফাইল ছবি

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ লিখিত ছিল না বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ইউনেসকো কর্তৃক ৭ মার্চের ভাষণকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ ডকুমেন্ট স্বীকৃতি প্রদান উপলক্ষে আয়োজিত নাগরিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, পৃথিবীর অনেক নেতাই অনেক ভাষণ দিয়েছিলেন। সেই ভাষণগুলো ছিল লিখিত। একটি মাত্র ভাষণ যার কোনো লিখিত ছিল না। এমনকি নোটও ছিল না। প্রতিটি কথাই তিনি বলে দিয়েছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি জাতিকে তিনি জাগ্রত করেছিলেন আন্দোলন-সংগ্রামে। সেদিনের ভাষণের কথা মনে হলেই আমার মনে পড়ে আমার মায়ের কথা।

তিনি বলেন, অনেক লিখিত বক্তব্য বাবার হাতে দেয়া হয়েছিল। মা বাবাকে বলেছিলেন, তুমি সেই কথা বলবে, যা তোমার মনের কথা।

বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে ভাষণ শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বক্তব্যের শুরুতেই স্বাধিকার থেকে স্বাধীনতা আন্দোলনে বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান। ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট নিহত বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সদস্য এবং জেলহত্যার শিকার ৪ জাতীয় নেতার প্রতিও শ্রদ্ধা জানান তিনি।

এর আগে শনিবার দুপুর ২টা ৩৯ মিনিটে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সমাবেশ মঞ্চে আসন গ্রহণ করেন। নৌকার আদলে নির্মিত মঞ্চে দাঁড়িয়ে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি হিসেবে সভাপতিত্ব করেন ইমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান।

এর আগে সকাল থেকেই খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে আওয়ামী লীগ, এর বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠন, বিভিন্ন সামাজিক ও ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ব্যানার নিয়ে সমাবেশে আসতে শুরু করে। দুপুরের মধ্যেই কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। সমাবেশস্থল ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের আদলেই সাজানো হয়।

এসময় বাংলা একাডেমি চত্বরে ঢাকা লিট ফেস্টও চলে সুশৃঙ্খলভাবে। তিন দিন ব্যাপি এ উৎসবের আজ শেষদিন। একদিকে নাগরিক সমাবেশ অন্যদিকে চলে আন্তর্জাতিক সাহিত্য উৎসব।

Print Friendly, PDF & Email

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Comments are closed.




© All rights reserved © MKProtidin.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com