প্রকাশের সময়: ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ০২:৪৮ অপরাহ্ণ
শীতলক্ষ্যা নদীতে লাইটার জাহাজ ভাসমান গুদাম হিসেবে ব্যবহার রোধে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের অভিযান | MkProtidin
Logo
/ অর্থনীতি
অনির্দিষ্ট
আপডেটঃ ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪৪ পূর্বাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

শীতলক্ষ্যা নদীতে লাইটার জাহাজ ভাসমান গুদাম হিসেবে ব্যবহার রোধে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের অভিযান

শীতলক্ষ্যা নদীতে লাইটার জাহাজ ভাসমান গুদাম হিসেবে ব্যবহার রোধে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের অভিযান
ছবি : সংগৃহীত

আলী আহসান রবি : নৌপথে শৃঙ্খলা রক্ষা ও লাইটার জাহাজকে ভাসমান গুদাম হিসেবে ব্যবহার প্রতিরোধে নৌপরিবহন অধিদপ্তর কর্তৃক গঠিত স্পেশাল টাস্কফোর্সের উদ্যোগে আজ ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রি. মুন্সিগঞ্জ জেলার মুক্তারপুরে শাহ সিমেন্ট সংলগ্ন শীতলক্ষ্যা নদী এলাকায় একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানকালে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে আগত গম, ছোলা, ডাবরি ও সয়াবিন বহনকারী মোট ২৮টি লাইটার জাহাজ পরিদর্শন করা হয়। পরিদর্শিত জাহাজসমূহের মধ্যে ১০ দিনের অধিক সময় ধরে অপেক্ষমাণ একটি এবং ২০ দিনের অধিক সময় ধরে অপেক্ষমাণ তিনটি লাইটার জাহাজ শনাক্ত করা হয়।

টাস্কফোর্সের অভিযানের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট পণ্যের এজেন্সি প্রতিনিধিগণ পূর্বেই অবগত থাকায় ঘাটসমূহে মালামাল আনলোডিং কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য গতিশীলতা পরিলক্ষিত হয়। অভিযানের সময় জাহাজে অপেক্ষমাণ পণ্যের কনসাইনি প্রতিষ্ঠানসমূহ—নাহার এগ্রো, নোয়াপাড়া ট্রেডার্স, শবনম ট্রেডিং, আবুল খায়ের, শেখ ব্রাদার্স, মদীনা গ্রুপ, এস এস ট্রেডিং এবং আরমান ফিড-এর প্রতিনিধিদের দ্রুত সময়ের মধ্যে পণ্য খালাসের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

একই সঙ্গে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কর্তৃক নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে পণ্য খালাস নিশ্চিত করার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে অবহিত করা হয়। নির্ধারিত সময়সীমা অমান্য করলে বিধি অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রয়োজনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সিদ্ধান্ত পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

নৌপরিবহন অধিদপ্তর ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে বলে জানানো হয়।

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ কবির নেওয়াজ রাজ | ভারপ্রাপ্ত প্রধান (অনলাইন) : মোঃ কবির নেওয়াজ রাজ
অফিস : বাসা-৬, রোড-৫, আটি সোসাইটি, আটি, কেরানীগঞ্জ, ঢাকা-১৩১২
ইমেইল: mkprotidin@gmail.com | ফোন : (+880) 1643-565087 , (+880) 1922-619387