শিক্ষা

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষাই আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলানোর চাবিকাঠি: উপদেষ্টা ড. এম সাখাওয়াত হোসেন

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষাই আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলানোর চাবিকাঠি: উপদেষ্টা ড. এম সাখাওয়াত হোসেন

আলী আহসান রবি : অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শ্রম ও কর্মসংস্থান ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হলে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। আজ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ওপরই বিশ্বের অগ্রগতি নির্ভরশীল, আর এই ধারার সাথে তাল রাখতে রাষ্ট্রের জন্য প্রয়োজন যথাযথ দক্ষতাসম্পন্ন গ্রাজুয়েট।

আজ শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) কুমিল্লার সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিসিএন-ইউএসটি) দ্বিতীয় সমাবর্তন ২০২৫ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপদেষ্টা এ কথা বলেন।


গ্রাজুয়েটদের উদ্দেশ্যে উপদেষ্টা বলেন, "জীবনে দ্রুত সফলতা কামনা করা স্বাভাবিক, কিন্তু প্রকৃত সফলতা আসে ধৈর্য, অধ্যবসায় ও আত্মবিশ্বাসের মাধ্যমে। নিজের দুর্বলতাকে চিহ্নিত করে সেটিকেই সফলতার দিকে অগ্রসর হওয়ার শক্তিতে রূপান্তর করতে হবে। জীবনের লক্ষ্য স্থির করে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে গেলেই সফলতার পথ খুঁজে পাওয়া যাবে।"

তিনি সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্জনকে শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের অগ্রগতি নয়, বরং প্রাতিষ্ঠানিক আস্থার প্রতিফলন হিসেবে অভিহিত করেন। "এই আস্থা গড়ে উঠেছে সময়, দায়িত্বশীল ব্যবস্থাপনা এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে, গ্রাজুয়েটদের সাফল্যের মাধ্যমে। এই আস্থা ধরে রাখাই ভবিষ্যতের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ, এবং এই দায়িত্ব এখন সমাবর্তনোত্তর গ্রাজুয়েটদেরই বহন করতে হবে," যোগ করেন তিনি।

অ্যাসোসিয়েশন অব প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিজ অব বাংলাদেশ (এপিইউবি)-এর চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান সমাবর্তন বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মো. সানোয়ার জাহান ভুঁইয়া এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নূরুন্নাহার চৌধুরী এনডিসি।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য ও শিক্ষকবৃন্দ, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান, সদস্য, উপাচার্য, উপ-উপাচার্য এবং ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।


উল্লেখ্য যে, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আয়োজিত এই সমাবর্তনে ২০২৩ থেকে ২০২৫ সময়কালে বিভিন্ন অনুষদ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রিপ্রাপ্ত মোট ৩৫২ জন গ্রাজুয়েটকে ডিগ্রি দেয়া হয়। এদিকে সমাবর্তনে সর্বোচ্চ সিজিপিএ পেয়ে চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন মোসাম্মৎ মাহমুদা আক্তার এবং তানজিদা চৌধুরী প্রমি। তাছাড়া বিওটি অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন ২ জন , ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন ০৩ জন, ডিনস অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন ০৭ শিক্ষার্থী।