মনিরুজ্জামান, বকশীগঞ্জ (জামালপুর) : সারাদেশে ন্যায় জামালপুর - ১ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পম্পন্ন হয়েছে।
নির্বাচনের পর নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে জামানত রক্ষা নিয়ে। কোন প্রার্থী কত ভোট পায়েছেন তা নিয়ে চলছে উল্টা কথা বিশ্লেষণ।
জামালপুর-১ (বকশীগঞ্জ-দেওয়ানগঞ্জ) আসনে ৫
জন প্রার্থীর মধ্যে ৩ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
যাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে তারা হলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর প্রার্থী আবদুর রউফ তালুকদার, জাতীয় পার্টি-এর এ কে এম ফজলুল হক ও গণঅধিকার পরিষদ-এর রফিকুল ইসলাম।
১২ ফেব্রুয়ারি দিনব্যাপী ভোটগ্রহণ শেষে প্রাপ্ত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর কেন্দ্রীয়
কোষাধ্যক্ষ এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৬৫৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর প্রার্থী নাজমুল হক সাঈদী দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৮২০ ভোট।
এছাড়াও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর প্রার্থী আবদুর রউফ তালুকদার হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ১২১ ভোট, জাতীয় পার্টি-এর লাঙল প্রতীক নিয়ে এ কে এম ফজলুল হক পেয়েছেন ৯৩১ ভোট এবং গণঅধিকার পরিষদ-এর ট্রাক প্রতীক নিয়ে রফিকুল ইসলাম পেয়েছেন ২২৬ ভোট।
বিধি অনুযায়ী, কোনো প্রার্থীর জামানত রক্ষা করতে হলে তাকে মোট প্রদত্ত বৈধ ভোটের কমপক্ষে আট ভাগের এক ভাগ পেতে হয়। শুধুমাত্র বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থী ছাড়া বাকি ৩ প্রার্থীর কেউ এই পরিমাণ ভোট পাননি।
এর মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর প্রার্থী আবদুর রউফ তালুকদার হাতপাখা প্রতীক নিয়ে ৪ হাজার ১২১ ভোট, জাতীয় পার্টি-এর লাঙল প্রতীক নিয়ে এ কে এম ফজলুল হক ৯৩১ ভোট এবং গণঅধিকার পরিষদ-এর ট্রাক প্রতীক নিয়ে রফিকুল ইসলাম ২২৬ ভোট পেয়ে জামানত বাজেয়াপ্ত করেন
জামানত রক্ষার জন্য এই আসনে প্রাপ্ত ভোটের হিসাবে ৩৪ হাজার ৫৯৪টি ভোট প্রয়োজন ছিল। ওই তিন প্রার্থী সেই সংখ্যা অর্জন করতে না পারায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে
জামালপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আনোয়ারুল হক জানান, এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের ৫০ হাজার টাকা জামানত জমা দিতে হয়েছে। যারা প্রাপ্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট পাননি, তাদেরই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
উল্লেখ্য, জামালপুর-১ আসনের ১২৮টি ভোটকেন্দ্রে ৪ লাখ ৩১ হাজার ৭০৭ জন ভোটারের মধ্যে ২ লাখ ৮০ হাজার ৯৪৬ জন ভোটার ভোট প্রদান করেন। এর মধ্যে বৈধ ভোট পড়ে ২ লাখ ৭৬ হাজার ৭৫৪টি। এই আসনে প্রদত্ত ভোটের হার ছিল ৬৫.০৮ শতাংশ।