জাতীয়

শহীদ রিয়ান ছিল তরুণদের আইডল

শহীদ রিয়ান ছিল তরুণদের আইডল

শহীদ রিয়ান বলতে মূলত নাসিব হাসান রিয়ান (১৭)-কে বোঝানো হয়, যিনি ২০২৪ সালের ঢাকায় আন্দোলনের সময় শহীদ হন, এবং তিনি একজন মেধাবী ও দৃঢ়চেতা ছাত্র ছিলেন, যিনি “আমার ভাইরা শহীদ হচ্ছে আমি কেন ঘরে থাকব” বলে রাজপথে নেমেছিলেন। 

পরিচয়: নাসিব হাসান রিয়ান ছিলেন কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (BCIC) কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র এবং ধানমন্ডি বয়েজ স্কুল থেকে জিপিএ ৫ পেয়ে এসএসসি পাস করেছিলেন।
আন্দোলনে অংশগ্রহণ: তিনি বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং "মরলে মরব, আন্দোলনে যাব" - এই মানসিকতা নিয়ে রাজপথে নেমেছিলেন।
শহীদ হওয়ার ঘটনা: ৫ই আগস্ট, ২০২৪ সালের, আন্দোলনের এক পর্যায়ে তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন। 

পারিবারিক প্রেক্ষাপট: রিয়ান তিন ভাইয়ের মধ্যে মেজো ছিলেন এবং তার বাবা ছেলের এই আত্মত্যাগের জন্য বিচার চেয়েছেন।
স্মরণ: তার আত্মত্যাগ ছাত্র আন্দোলন এবং দেশের বিভিন্ন মহলে স্মরণ করা হয়েছে, এবং তার পরিবার ও সহযোদ্ধারা তার স্মরণে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে।
শহীদ নাসিব হাসান রিয়ানের বাবা গোলাম রাজ্জাক বলেন, আমার ছেলে নাসিব হাসান রিয়ান দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে। মৃত্যুভয় তাকে আন্দোলনে যাওয়া থেকে বিরত রাখতে পারেনি।

শহীদ নাসিবের স্বপ্ন ছিল পাইলট হওয়া, কিন্তু সেই স্বপ্ন আর পূরণ হলো না। সে দেশের জন্য জীবন দিয়েছে।

শহীদ রিয়ানের মা শাম্মী আক্তার বলেন, আমার ছেলে রিয়ান আমার কলিজার টুকরো তাকে পুলিশ খুব কষ্ট দিয়ে হত্যা করেছে। সে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নায়কের ভূমিকা পালন করছিল। সে ছাত্র আন্দোলনের অগ্রভাগের ছাত্রনেতা ছিল। আপনারা সবাই আমার ছেলে রিয়ানের জন্য দোয়া করবেন।