বৃহস্পতিবার, ২৬ মে ২০২২, ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
মঠবাড়িয়ার ধর্ষণে ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী অন্তঃসত্বা ॥ ধর্ষক গ্রেফতার কালিগঞ্জে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে নেছারাবাদে “যোগাযোগ দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ” অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জেলা পুলিশের একাধিক অভিযানে আটক-২ ইয়াবা ও গাজা উদ্ধার বাংলাদেশের গর্বের, স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধন হতে যাচ্ছে আগামী ২৫ জুন ২০২২ তারিখে টাঙ্গাইলের মধুপুরে আইন শৃঙ্খলা কমিটির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত র‌্যাব -৭, চট্টগ্রামের অভিযানে কক্সবাজার জেলার উখিয়া থেকে ১ লাখ ৭০ হাজার পিস ইয়াবাসহ ০৩ জন ইয়াবা ব্যবসায়ী আটক। সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলমের মৃত্যুতে বিএমএসএফ’র গভীর শোক ও সমবেদনা দিগন্ত ফাউন্ডেশনের সভাপতি ও সম্পাদক পুনরায় বহাল ৬৯ নং মধ্য যৌতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ দেখে হতাশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

ইতিহাস খ্যাত মণিষীদের কিছু অসাধারণ উক্তি

ওয়ারেন এডওয়ার্ড বাফেট ৩০ আগস্ট ১৯৩০ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করেন। একজন মার্কিন ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী এবং জনহিতৈষী ব্যক্তি। তাকে বিংশ শতকের সবচেয়ে সফল বিনিয়োগকারী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বাফেট বার্কশায়ার হ্যাথাওয়ে কোম্পানির প্রধান নির্বাহী। তিনি ধারাবাহিকভাবে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছেন। ২০১১ সালে বাফেট বিশ্বের তৃতীয় ধনী ব্যক্তি ছিলেন। ২০১২ সালে টাইম ম্যাগাজিন তাকে বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তি ঘোষণা করে।

বিপুল ধনসম্পদের মালিক হওয়া সত্ত্বেও ওয়ারেন বাফেট অত্যন্ত মিতব্যয়ী। বাফেট একজন প্রখ্যাত জনহিতৈষী ব্যক্তি। তিনি তার সম্পদের ৯৯ ভাগ জনকল্যাণমূলক কাজের জন্য দান করবেন বলে অঙ্গীকার করেছেন। ২০১২ সালে তাঁর প্রস্টেট ক্যান্সার ধরা পড়ে।

ওয়ারেন বাফেটের কিছু অসাধারণ উক্তি-
উপার্জন: কখনোই আয়ের একমাত্র উৎসের উপর নির্ভর করবেন না। বিনিয়োগের মাধ্যমে আরেকটি উৎস তৈরী করুন।
খরচ: আপনার যা প্রয়োজন নেই তা যদি আপনি ক্রয় করেন তাহলে শীঘ্রই আপনার যা প্রয়োজন তা বিক্রি করতে হবে।
সঞ্চয়: খরচের পর যা অবশিষ্ট থাকে তা সঞ্চয় না করে বরং সঞ্চয়ের পর যা অবশিষ্ট থাকে তা খরচ করুন।
ঝুঁকি: আপনার উভয় পা পানিতে ডুবিয়ে কখনোই নদীর গভীরতা মাপবেন না।
বিনিয়োগ: কখনোই সব ডিম এক ঝুড়িতে রাখবেন না।
প্রত্যাশা: সততা খুবই দামী একটি উপহার। তা কখনোই সস্তা লোকের নিকট থেকে আশা করবেন না।

আবুল পাকির জয়নুল- আবেদিন আব্দুল কালাম ১৫ অক্টোবর ১৯৩১ সালে অধুনা ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের রামেশ্বরমে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের একাদশ রাষ্ট্রপতি। কালাম তাঁর কর্মজীবন শুরু করেছিলেন একজন বিজ্ঞানী হিসেবে। পরে তিনি ঘটনাচক্রে রাজনীতিবিদে পরিণত হন। কালামের জন্ম তিনি পদার্থবিদ্যা ও বিমান প্রযুক্তিবিদ্যা নিয়ে পড়াশোনা করেছিলেন। এরপর চল্লিশ বছর তিনি প্রধানত রক্ষা অনুসন্ধান ও বিকাশ সংগঠন (ডিআরডিও) ও ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থায় বিজ্ঞানী ও বিজ্ঞান প্রশাসক হিসেবে কাজ করেন। ভারতের অসামরিক মহাকাশ কর্মসূচি ও সামরিক সুসংহত নিয়ন্ত্রিত ক্ষেপণাস্ত্র উনয়ন কর্মসূচির সঙ্গে তিনি অঙ্গাঙ্গীভাবে যুক্ত ছিলেন। ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও মহাকাশযানবাহী রকেট উন্নয়নের কাজে তাঁর অবদানের জন্য তাঁকে ‘ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র মানব’ বা ‘মিশাইল ম্যান অফ ইন্ডিয়া’ বলা হয়।
২০০২ সালে কালাম তৎকালীন শাসকদল ভারতীয় জনতা পার্টি ও বিরোধী দল ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সমর্থনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। পাঁচ বছর এই পদে আসীন থাকার পর তিনি শিক্ষাবিদ, লেখক ও জনসেবকের সাধারণ জীবন বেছে নেন। ভারতের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ভারতরতœ সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সম্মান ও পুরস্কার পেয়েছিলেন কালাম।
এপিজে আবুল কালাম এর গুরুত্বপূর্ণ কিছু উক্তি-
‘স্বপ্ন সেটা নয় যেটা তুমি ঘুমিয়ে দেখো।
স্বপ্ন সেটা যেটা তোমায় ঘুমোতে দেয় না।’

‘যদি তুমি তোমার কাজকে স্যালুট কর, দেখো তোমায় আর কাউকে স্যালুট করতে হবে না। কিন্তু তুমি যদি তোমার কাজকে অসম্মান কর, অমর্যাদা কর, ফাঁকি দাও, তাহলে তোমায় সবাইকে স্যালুট করতে হবে।’

‘সূর্যের মতো দীপ্তিমান হতে হলে
প্রথমে তোমাকে সূর্যের মতোই পুড়তে হবে।’

‘যারা হৃদয় দিয়ে কাজ করতে পারে না; তাদের অর্জন অন্তঃসারশূন্য, উৎসাহহীন সাফল্য চারদিকে তিক্ততার উদ্ভব ঘটায়।’

‘তরুনদের ভিন্নভাবে চিন্তা করার ও উদ্ভাবনের সাহস থাকতে হবে, অপরিচিত পথে চলার ও অসম্ভব জিনিস আবিষ্কারের সাহস থাকতে হবে এবং সমস্যাকে জয় করে সফল হতে হবে।

‘জীবন একটি কঠিন খেলা। ব্যক্তি হিসেবে মৌলিক অধিকার ধরে রাখার মাধ্যমেই শুধুমাত্র তুমি সেখানে জয়ী হতে পারবে।’

‘আকাশের দিকে তাকাও। আমরা একা নই। পুরো মহাবিশ্ব আমাদের প্রতি বন্ধুত্বসুলভ। যারা স্বপ্ন দেখে এবং কাজ করে শুধুমাত্র তাদেরকেই শ্রেষ্ঠটা দেওয়ার জন্য চক্রান্তে লিপ্ত এই বিশ্ব।’

‘উৎকর্ষতা একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং এটি কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়।’

‘যদি একটি দেশকে দুর্নীতিমুক্ত এবং সুন্দর মনের মানুষের জাতি হতে হয়, তাহলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি এ ক্ষেত্রে তিনজন সামাজিক সদস্য পার্থক্য এনে দিতে পারে।
তারা হলেন বাবা, মা এবং শিক্ষক।’

‘সমস্যাকে কখনো এড়িয়ে যেতে চাইবে না। বরং সমস্যা এলে তার মুখোমুখি দাঁড়াবে। মনে রাখবে, সমস্যাবিহীন সাফল্যে কোনো আনন্দ নেই। সব সমস্যার সমাধান আছেই।’

‘জীবনের অভিজ্ঞতা দিয়ে মূলত চারটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের প্রতি আমি আলোকপাত করি। সেগুলো হলো: জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণ, জ্ঞান আহরণ, অনেক বড় সমস্যায় পড়লেও লক্ষ্য থেকে সরে না আসা এবং কোনো কাজে সাফল্য ও ব্যর্থতা দুটোকেই নেতৃত্বগুণে সামাল দিতে পারা।’

Print Friendly, PDF & Email

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Comments are closed.




© All rights reserved © MKProtidin.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com