বৃহস্পতিবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
কালিগঞ্জে উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে সরস্বতীপূজা সম্পন্ন হিরো আলম বগুড়া-৪ আসনে ৯৫১ ভোটের ব্যবধানে হেরেছেন অজ্ঞতা যখন চিৎকার করে ডিজিটাল যুগে ভাষা এবং সাহিত্য চর্চাও ডিজিটালাইজড করার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারি খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা কলেজে ১ম বর্ষের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত” সরকারি খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগীয় প্রধানের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত” কালিগঞ্জ থানায় গ্রেফতারী পরোয়ানা ভূক্ত ০৮(আট) জন আসামী গ্রেফতার” নলতা হাসপাতালে ২ দিন ব্যাপি গাইনী ও প্রসূতি বিষয়ে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প  ১ ফেব্রুয়ারি শেষ হবে” গলাচিপায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার  সন্ত্রাস, অরাজকতা দমন ও শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ বাহীনি দায়িত্ব পালন করছে—-থানার ওসি মামুন রহমান
গোপালপুরে প্রতিবন্ধী নারীর গর্ভপাত করাতে প্রাণনাশের হুমকি; মামলা করে বিপাকে ধর্ষিতার পরিবার

গোপালপুরে প্রতিবন্ধী নারীর গর্ভপাত করাতে প্রাণনাশের হুমকি; মামলা করে বিপাকে ধর্ষিতার পরিবার

 

মোঃ জাহিদ খান।।

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে ভিক্ষুকের মেয়ে এক প্রতিবন্ধী নারীকে বিয়ের প্রলোভনে একাধিকবার ধর্ষণ করার ফলে অন্তঃসত্তা হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। প্রতিকার ও ন্যায় বিচারের আশায় মেয়ের মা বাদি হয়ে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে হেমনগর ইউনিয়নের বালোবাড়ী গ্রামের মৃত গোলাপ হোসেনের ছেলে শানশাহ (৩৫) কে একমাত্র আসামী করে ধর্ষণ মামলা করে বিপাকে পড়েছে। আসামী ও তার স্বজনরা গর্ভপাত করাতে অসহায় ভিক্ষুক মা ও মেয়েকে শারীরিক নির্যাতন করে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। এ নিয়ে এলাকায় একাধিক গ্রাম্য সালিশে কোন প্রতিকার না পেয়ে বৃহস্পতিবার ভোক্তভূগী মা মেয়ে গোপালপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছে। এ সময় ধর্ষিতা মেয়ে ও তার মা এবং ওই ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য হারুন অর রশিদ ও মনির হোসেনসহ গণ্যমান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায়, বালোবাড়ী গ্রামের বিধবা এক নারী তার বাকপ্রতিবন্ধী মেয়েকে নিয়ে ভিক্ষাবৃত্তি করে জীবিকা নির্বাহ করে। মাঝে মাঝে বিধবা তার মেয়েকে বাড়ীতে একা রেখে ভিক্ষার কাজে বের হয়। সেই সুযোগে মামলার আসামী প্রতিবেশি প্রতিবন্ধী নারীটিকে বিভিন্ন সময় কুপ্রস্তাব দেয়। মেয়েটি রাজী না হওয়ায় ৮/৯ মাস আগে ঘরে প্রবেশ করে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে তাকে। আর এই ধর্ষণের বিষয় কাউকে না জানানোর জন্য মৃত্যুর ভয়ভীতি দেখায়। পরে একই কায়দায় বিভিন্ন সময়ে তাকে ধর্ষণ করে। টানা ধর্ষণের ফলে মেয়েটির শারীরিক পরিবর্তন দেখা দেয় এবং অসুস্থ্য হয়ে পড়ে। গত ১১ আগস্ট গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তার আল্ট্রাসনোগ্রাফী করালে জানা যায় মেয়েটি ২০ সপ্তাহের অন্তঃসত্তা। ১২ আগস্ট এ নিয়ে স্থানীয় সালিশে সাক্ষীসহ গণ্যমান্য ব্যক্তির উপস্থিতিতে ধর্ষণের বিষয়টি শানশাহ স্বীকার করে। তখন স্থানীয়রা মেয়ের মাকে মামলা করার পরামর্শ দেয়। পরে মেয়ের মা বাদি হয়ে আদালতে ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন (সং/০৩) এর ৯(১) ধারায় মামলা করে।

এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবির উপ-পরিদর্শক আবেদ আলী জানান, মামলার তদন্ত কাজ শেষ। প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হবে। সন্তান হওয়ার পর তাদের ডিএনএ পরীক্ষা করা হবে।

Print Friendly, PDF & Email

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Comments are closed.




© All rights reserved © MKProtidin.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com