শনিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০২:২৮ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
বাহরাইনে বাংলাদেশি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু  টুঙ্গিপাড়ায় হয়ে গেল নড়াইল জেলা কবি সাহিত্যিকদের বনভোজন নাসায় গবেষণার সুযোগ পেলেন বাংলাদেশি আদিবা সাজেদ অমর একুশে মেলায় চার বইয়ের মোড়ক উন্মোচনে তথ্যমন্ত্রী বিএনপির ছেড়ে দেওয়া ছয় আসনে উপ-নির্বাচনে ২৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সোনারগাঁয়ে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন ইতালীতে শরীয়তপুর সমিতির রাজনীতিতে আব্দুর রউফ ফকির একটি আলোচিত নাম ভৈরবে ছাত্রী অপহরণ মামলার আসামী গ্রেফতার শ্যামনগর উপজেলায় পালিত হলো জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস কালিগঞ্জে মিশন মহিলা উন্নয়ন সংস্থা‘র আয়োজনে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত
🇧🇩 ৭ ডিসেম্বর সাতক্ষীরা মুক্ত দিবস 🇧🇩

🇧🇩 ৭ ডিসেম্বর সাতক্ষীরা মুক্ত দিবস 🇧🇩

 

আজ ৭ ডিসেম্বর সাতক্ষীরা মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে সাতক্ষীরার দামাল ছেলেরা থ্রি নট থ্রি আর এসএলআরের ফাঁকা গুলি ছুড়তে ছুড়তে সাতক্ষীরা শহরে প্রবেশ করেন। ওড়ানো হয় স্বাধীন বাংলার পতাকা।সাতক্ষীরার মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার জানান ১৯৭১ সালের ২ মার্চ সাতক্ষীরা শহরে পাকিস্তান বিরোধী মিছিলে রাজাকাররা গুলি করলে শহীদ হন আব্দুর রাজ্জাক। এর পরই গর্জে উঠে রুখে দাঁড়ায় সাতক্ষীরার দামাল ছেলেরা।

বাংলাদেশের মানচিত্র প্রতিষ্ঠা করার জন্য মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে শত্রুদের গুলিতে সাতক্ষীরার যে সব বীর সন্তান শহীদ হন তারা হলেন- শহীদ আব্দুর রাজ্জাক, কাজল, খোকন, নাজমুল, হাফিজউদ্দিন, নুর মোহাম্মদ, আবু বকর, ইমদাদুল হক, জাকারিয়া, শাহাদাত হোসেন, আব্দুর রহমান, আমিনউদ্দিন গাজী, আবুল কালাম আজাদ, সুশীল কুমার, লোকমান হোসেন, আব্দুল ওহাব, দাউদ আলী, সামছুদ্দোহা খান, মুনসুর আলী, রুহুল আমীন, জবেদ আলী, শেখ হারুন অর রশিদ প্রমুখ।

বর্তমান সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ূন কবির জানান, ৭ ডিসেম্বর সাতক্ষীরা মুক্ত দিবসের তাৎপর্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে। তাহলে নতুন প্রজন্ম মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রেরণায় নিজেদের গড়ে তুলতে পারবে।আমি কবির নেওয়াজ রাজ,বই পুস্তকের মাধ্যমে যতটুকু জানতে পেরেছি, মহান মুক্তিযুদ্ধে সাতক্ষীরা জেলার ছিল গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা।দেশের অন্যান্য স্থানের ন্যায় সাতক্ষীরার সকল শ্রেণী ও পেশার মানুষ মুক্তির আকাঙ্খায় হাতে অস্ত্র তুলে নিয়েছিল, ঝাঁপিয়ে পড়েছিল পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে জীবন মরণ যুদ্ধে।

খন্ড খন্ড সশস্ত্র যুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের প্রবলপ্রতিরোধে ৭ ডিসেম্বর পাকসেনারা সাতক্ষীরা ছেড়ে চলে যায়। মুক্ত হয় সাতক্ষীরা । দীর্ঘ নয় মাস ধরে সশস্ত্র যুদ্ধের মাধ্যমে লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে এদেশের স্বাধীনতা, এদেশের মুক্তি।তাই প্রতি বছর ৭ ডিসেম্বর সাতক্ষীরা মুক্ত দিবস হিসেবে পালিত হয়।
লেখকঃ কবির নেওয়াজ রাজ
এমএসএস’ রাষ্ট্রবিজ্ঞান,সিসি’ জার্নালিজম,এলএলবি।
Email: razbusinessfile@gmail.com

Print Friendly, PDF & Email

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Comments are closed.




© All rights reserved © MKProtidin.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com