বৃহস্পতিবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
কালিগঞ্জে উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে সরস্বতীপূজা সম্পন্ন হিরো আলম বগুড়া-৪ আসনে ৯৫১ ভোটের ব্যবধানে হেরেছেন অজ্ঞতা যখন চিৎকার করে ডিজিটাল যুগে ভাষা এবং সাহিত্য চর্চাও ডিজিটালাইজড করার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারি খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা কলেজে ১ম বর্ষের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত” সরকারি খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগীয় প্রধানের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত” কালিগঞ্জ থানায় গ্রেফতারী পরোয়ানা ভূক্ত ০৮(আট) জন আসামী গ্রেফতার” নলতা হাসপাতালে ২ দিন ব্যাপি গাইনী ও প্রসূতি বিষয়ে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প  ১ ফেব্রুয়ারি শেষ হবে” গলাচিপায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার  সন্ত্রাস, অরাজকতা দমন ও শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ বাহীনি দায়িত্ব পালন করছে—-থানার ওসি মামুন রহমান
আজ -৮ ডিসেম্বর পিরোজপুর মুক্ত দিবস।

আজ -৮ ডিসেম্বর পিরোজপুর মুক্ত দিবস।

 

মোঃ রাসেল
ইন্দুরকানী (পিরোজপুর) প্রতিনিধিঃ

আজ ৮ ডিসেম্বর ২০২২ পিরোজপুর মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এ দিনে পিরোজপুর পাকহানাদার, রাজাকার ও আলবদর মুক্ত হয়। এই দিনে ঘরে ঘরে উড়েছিল লাল সবুজের বিজয় পতাকা। পিরোজপুরের ইতিহাসে এ দিনটি বিশেষ স্মরণীয় দিন। মুক্তিযুদ্ধের সময় পিরোজপুর ছিল মুক্তিযুদ্ধের নবম সেক্টরের অধীন সুন্দরবন সাব-সেক্টর মেজর জিয়াউদ্দিনের কমান্ডের আওতায়।

১৯৭১ সালের ৩ মে পিরোজপুরে প্রথম পাক বাহিনী প্রবেশ করে। শহরের প্রবেশদ্বার হুলারহাট নৌ-বন্দর থেকে পাকবাহিনীরা প্রবেশের পথে প্রথমেই তারা মাছিমপুর ও কৃষ্ণনগর গ্রামে শুরু করে হত্যাযজ্ঞ। তারপর ৮টি মাস স্থানীয় শান্তি কমিটির নেতা ও রাজাকারদের সহায়তায় বিভিন্ন এলাকায় মুক্তিযোদ্ধা, সংখ্যালঘু ও স্বাধীনতার স্বপক্ষের লোকজনদের বাড়ি-ঘরে আগুন দেয়া হয়। হত্যা করা হয় হাজার হাজার মুক্তিকামী নারী-পুরুষ শিশুকে।

পিরোজপুরকে হানাদার মুক্ত করতে সুন্দরবনের সাব-সেক্টর কমান্ডার মেজর জিয়াউদ্দিনের নেতৃত্বে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের একটি দল ৭ ডিসেম্বর রাত ১০টায় পিরোজপুরের দক্ষিণপ্রান্ত পাড়েরহাট বন্দর দিয়ে শহরে প্রবেশ করতে থাকে। মুক্তিবাহিনীর এ আগমনের খবর পেয়ে পাক হায়নারা শহরের পূর্বদিকের কচা নদী দিয়ে বরিশালের উদ্দেশ্যে পালিয়ে যায়। এর আগে স্বরূপকাঠী পেয়ারা বাগানে মুক্তিযোদ্ধাদের গড়ে তোলা দূর্গে পাকবাহিনী আক্রমণ করলে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে কয়েকজন পাক সেনা নিহত হয়। এছাড়া বিভিন্ন স্থানে মুক্তিযোদ্ধাদের গেরিলা আক্রমণে পাকবাহিনী পর্যুদস্ত হতে থাকে। অবশেষে ৮ ডিসেম্বর পিরোজপুর ছেড়ে তারা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকবাহিনী ও তাদের দোসররা পিরোজপুর অঞ্চলে হাজার হাজার মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করে। সম্ভ্রম লুটে নেয় প্রায় কয়েক হাজার মা-বোনের।

Print Friendly, PDF & Email

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Comments are closed.




© All rights reserved © MKProtidin.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com