শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ১০:৩৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
গণপূর্তমন্ত্রীর সাথে ইউএনডিপি’র আবাসিক প্রতিনিধির সৌজন্য সাক্ষাৎ জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় অর্থ পেতে সরকার বাংলাদেশ জলবায়ু উন্নয়ন অংশীদারিত্ব গঠন করবে। – পরিবেশমন্ত্রী সাবের চৌধুরী চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন খাতে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও অভিজ্ঞতা বিনিময় করা হবে -তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী নতুন প্রজন্মের মাঝে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরার আহ্বান জানান মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী। কালিগঞ্জে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ও সেবা সপ্তাহের উদ্বোধন করলেন আতাউল হক দোলন এমপি Jolpore.com অনলাইন বুক রিভিউ প্রতিযোগিতা পরীমনির বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে পিবিআই  এথেন্স সম্মেলন : দায়িত্বশীল ও টেকসই সমুদ্র ব্যবস্থাপনায় সম্মিলিত প্রয়াসের আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ২২ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে ৪ দিনের ন্যাপ এক্সপো, উদ্বোধন করবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। -পরিবেশমন্ত্রী সাবের চৌধুরী নলতাকে মাদক ও বখাটেমুক্ত করতে চেয়ারম্যান আজিজুর এর ব্যাতিক্রম উদ্যোগ

পঞ্চদশে পানিসম্পদ

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৬ মার্চ, ২০২৪, ২.১৮ পিএম
  • ৪৭ বার পঠিত

দুর্নিবার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ । এবারের লক্ষ্য ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ স্মার্ট ‘সোনার বাংলা’ প্রতিষ্ঠিত করা। বিগত ১৫ বছরের বাংলাদেশকে একটি  দুর্বল অর্থনৈতিক দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে পদার্পণ করেছে।মানুষের জীবনমান উন্নত হয়েছে,আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে তার বড় প্রমাণ হলো গত কয়েক বছর ধরে দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় বেড়েছে যা বর্তমানে ২৭৬৫ মার্কিন ডলার।

বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ ক্ষেত্রের ভূমিকা অনন্য। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। ফ্লাইওভার,মেট্রোরেল,বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট স্থাপন,বঙ্গবন্ধু সেতু থেকে শুরু করে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ পদ্মা সেতু,কর্ণফুলী টানেল,এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে,রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন উল্লেখ্যযোগ্য ।

অগ্রযাত্রায় পিছিয়ে নেই পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়। আপন মহিমায় এগিয়ে যাচ্ছে এ মন্ত্রণালয়। প্রশংসিত হচ্ছে তাদের কাজের মাধ্যমে । প্রাকৃতিক দূযোর্গকালে যখন সবাই পরিবার নিয়ে নিরাপদ স্থানে চলে যায় তখন এই মন্ত্রণালয়ের মাঠ পর্যায়ের প্রকৌশলী,কর্মকর্তা কর্মচারীগণ অবস্থান করেন নদীরতীরে,হাওরে মানুষের জান মাল রক্ষার্থে।অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির বিভিন্ন মাইলফলক অতিক্রম করায় নিজ অর্থায়নে মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের সক্ষমতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ । যার ফলশ্রুতিতে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন বাজেটের সিংহভাগই সরকারের নিজস্ব অর্থ হতে বরাদ্দ প্রদান করা হচ্ছে।

দেশের পানি সম্পদ খাতে বিগত ১৫ বছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে ৫৩,৫,৪৪ কোটি টাকা ব্যয় করেছে। এ সময়কালে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় কর্তৃক ২৭৭টি (নদীতীর সংরক্ষণ ১১৯টি,সেচ ৩৫টি,বন্যা নিয়ন্ত্রণ/নিষ্কাশন ৫৫টি,সমীক্ষা ৪৯টি,ভূমি পুনরূদ্ধার ২টি,ভবন নির্মাণ ১টি ও বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড ব্যতীত অন্যান্য সংস্থাসমূহের ১৬টি) প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে। বর্তমানে ৯৬টি প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। তন্মধ্যে জুন ২০২৪ নাগাদ ৪২টি প্রকল্পের বাস্তবায়ন সমাপ্ত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত রয়েছে। ইতোমধ্যে,১৬টি নতুন প্রকল্প অনুমোদন লাভ করেছে। জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করা হয়েছে,এর আওতায় ১৩৬টি প্রকল্পের ১৩০টির বাস্তবায়ন সম্পন্ন হয়েছে। এছারাও ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে ৩৩.৩৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪টি প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী’র মোট ৫০টি প্রতিশ্রুতি রয়েছে। ইতোমধ্যে ৪৩টি প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন সমাপ্ত হয়েছে। বর্তমানে ৫টি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নাধীন রয়েছে,১টি প্রতিশ্রুতির আলোকে প্রকল্প প্রণয়নাধীন এবং অবশিষ্ট ১টি প্রতিশ্রুতির আলোকে গৃহীত প্রকল্পের বাস্তবায়নের পরবর্তী প্রভাব বিশ্লেষণ ও তৎপরবর্তী সম্ভাব্যতা যাচাই এর ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করা প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রতিপালনের জন্য মোট ২০টি নির্দেশনা প্রদান করেছেন। ইতোমধ্যে ৬টি নির্দেশনার বাস্তবায়ন সমাপ্ত হয়েছে এবং ১০টি নির্দেশনার বাস্তবায়ন চলমান রয়েছে। ২টি নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য প্রকল্প প্রণয়নাধীন এবং ২টি নির্দেশনা যৌথ নদী, বাংলাদেশ কর্তৃক বাস্তবায়িতব্য।

দেশের নদ-নদীসমূহ এবং পানি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ছাড়া দেশের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয় এই উপলব্ধি থেকেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে উপহার দিয়েছেন বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০। এ বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উদ্ধৃতি “আগামী ১০০ বছরে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনাই বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০। ২১০০ সালে বাংলাদেশকে যেভাবে গড়তে চাই সেভাবেই আমরা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছি”। ব-দ্বীপ পরিকল্পনার বিনিয়োগ কর্মপরিকল্পনাভুক্ত ৮০টি কার্যক্রমের মধ্যে ৫৯টি (৫৪টি সরাসরি ও ৫টি ক্রসকাটিং) পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতায় বাপাউবো বাস্তবায়ন করবে। ইতোমধ্যে বাস্তবায়নাধীন ৫৯টি উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে ২৮টি কার্যক্রম বাস্তবায়িত হচ্ছে। এছাড়াও, চলমান ও সমাপ্ত অন্যান্য প্রকল্পের অধীন অবকাঠামোগত উন্নয়ন ব-দ্বীপ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে পরোক্ষ ভূমিকা পালন করছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রায় ৩,১৪,৫০০ টাকা ব্যয় হতে পারে।৬৪ টি জেলার অভ্যন্তরে ছোট নদী,খাল এবং জলাশয় পুন:খনন(১ম পর্যায়) শীর্ষক একটি প্রকল্প চলমান রয়েছে। প্রকল্পে অর্ন্তভূক্ত ৬৬৮ টি ছোট নদী,খাল ও জলাশয়ের মধ্যে ইতোমধ্যে ৫০৭ টি পুন:খনন/পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। প্রকল্পের ১ম পর্যায়ের সাফল্যের ধারাবাহিকতায় দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রকল্পের আওতায় আরো ৮৯টি ছোট নদী,৭৯৪টি খাল ও ২৬ টি জলাশয় পুন:খননের পরিকল্পনা রয়েছে যার দৈর্ঘ ৬০৮৫.৬০কি.মি.।

নদীমাতৃক বাংলাদেশে অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ নদীতীর ভাঙনরোধ করা।নদী ড্রেজিং/পুন:খননের ফলে নদ-নদীর পানি ধারণ ক্ষমতা তথা নাব্যতা বৃদ্ধি পায়। নদীর খননকৃত গতিপথে পানি দ্রুত নিষ্কাশন হওয়ায় তা নদী তীরবর্তী এলাকাসমূহকে বন্যা ও নদী ভাঙনের ঝুঁকি হ্রাস করে। ফলে নদী তীরবর্তী বিস্তীর্ণ এলাকার জনগণ ও জনজীবন উপকৃত হয়। বিগত পনের বছরে দেশের জলপথের নাব্যতা বৃদ্ধি ও নদী বাঁচাতে প্রায় ৫০৩০ কি.মি.নদী ড্রেজিং,পুন:খনন করা হয়েছে এবং ৯৮৩ কি.মি.নদীতীর সংরক্ষণ কাজ বাস্তবায়নের মাধ্যমে ১৭টি জেলা শহরকে প্রত্যক্ষভাবে নদী ভাঙন হতে সুরক্ষা দেয়া হয়েছে। এছাড়াও,১৮৭৩টি পানি কাঠামো নির্মাণ,৪৯৯ কি.মি.নিষ্কাশন খাল খনন ও ৭৩০২ কি.মি.নিষ্কাশন খাল পুনঃখনন করা হয়েছে। ঢাকা শহরের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য গোড়ান চটবাড়ীতে ২টি পাম্প হাউজ নির্মাণ করা হয়েছে। ডিএনডি এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনকল্পে ২টি পাক্ষ হাউজ ও ৩টি পাম্পিং স্টেশন নির্মাণাধীন রয়েছে।

পাবনা জেলায় তালিমনগর ও সিলেট জেলায় রহিমপুর পাম্প হাউজ নির্মাণ করা হয়েছে। ফেনী জেলায় মুহুরী সেচ প্রকল্পের আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। মৌলভীবাজার জেলার কাশিমপুর পাম্প হাউজের পুর্নবাসন করা হয়েছে।এছাড়া নীলফামারী জেলায় বুড়িতিস্তা প্রকল্প পুনর্বাসন চলমান রয়েছে। এসকল প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে প্রতি বছর প্রকল্পপূর্ব অবস্থা অপেক্ষা প্রায় ১১১.১৮ লক্ষ মেট্রিক টন অতিরিক্ত খাদ্যশস্য উৎপাদিত হচ্ছে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ ব্যবস্থার আধুনিকায়নের ফলে দেশের গুরুত্বপূর্ণ নদ-নদীসমূহের ৫৪টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ৫-দিনের আগাম বন্যা পূর্বাভাস এবং বিশেষ ক্ষেত্রে ৩৮টি পয়েন্টে ১০-দিনের আগাম বন্যা পূর্বাভাস প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে । আগাম পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণের ফলে সাম্প্রতিক বছরসমূহে আগাম প্রস্তুতি গ্রহণের মাধ্যমে বন্যায় ক্ষয়ক্ষতি উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে। বর্তমানে দেশের যে কোনো প্রান্ত হতে যে কোনো মোবাইল অপারেটর হতে ১০৯০ তে ডায়াল করে নদ-নদীর পানি সমতল এবং বন্যা পূর্বাভাস সম্পর্কিত তথ্য জানা যাচ্ছে।

সেচ প্রকল্পসমূহের মধ্যে তিস্তা ব্যারেজ (২য় পর্যায়-১ম ইউনিট),চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া উপজেলাধীন মালিয়ায়া-বাচখাইন-ভান্ডারগাঁও সেচ প্রকল্প,দিনাজপুর জেলায় করতোয়া নদীর ডানতীয় প্রকল্প এবং গৌরীপুর সমন্বিত পানি নিয়ন্ত্রণ কাঠামো প্রকল্প,সিলেট জেলায় সুরমা নদীর ডানতীর প্রকল্প,মাতামুহুরী সেচ প্রকল্প (২য় পর্যায়),মুহুরী কহুয়া প্রকল্প,নওগাঁ জেলায় জবাই বিল প্রকল্প,পাবনা জেলায় গাজনার বিল প্রকল্প উল্লেখযোগ্য।এ সকল প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রকল্প এলাকায় ফসলের উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং দেশের খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

৩৫টি সেচধর্মী প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে সেচ সুবিধার আওতাভুক্ত এলাকা ২.৩৪ লক্ষ হেক্টর সম্প্রসারিত হয়েছে। এ সময়কালে ১৮১.০০ কি.মি. সেচ খাল খনন ও ১৯৩২.০০ কি.মি. সেচ খাল পুনঃখনন করা হয়েছে। তিস্তা ব্যারেজের অটোমশেন সম্পন্ন হয়েছে। সেচ ব্যবস্থা উন্নয়নে পাবনা ঝুঁকিমুক্ত হয়।এছাড়াও, ড্রেজিং সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ১০ টি ড্রেজার ক্রয় করা হয়েছে।

নদী ড্রেজিং থেকে পাওয়া ড্রেজড ম্যাটেরিয়াল পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নদীবক্ষ/মোহনা হতে ৩৪.১৭ ব.কি.মি.ভূমি পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। নদী ড্রেজিং ছাড়াও ক্রসবার/ক্রসড্যাম প্রভৃতি অবকাঠাম উন্নয়নের মাধ্যমে নদীবক্ষ/মোহনা হতে ১২.০১ ব.কি.মি.ভূমি পুনরুদ্ধার কর হয়েছে। পুনরুদ্ধারকৃত ভূমির সম্ভাব্য মূল্য ৪,৭৬৩.৮২ কোটি টাকা। নাদী ডেজিং ব্যতীত অন্যান পুনরুদ্ধারকৃত ভূমির সম্ভাব্য মূলা ২৪৪.০৪ কোটি টাকা। ৫৬টি বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে বন্যা নিয়ন্ত্রণ,নিষ্কাশন ও সেচ সুবিধার আওতাভুক্ত এলাকা ৫.৬৪ লাখ হেক্টর সম্প্রসারিত হয়েছে। এ সময়কালে ১৫৪৪ কি.মি. বাঁধ (উপকূলীয়, ডুবন্ত ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ) নির্মিত হয়েছে এবং ১০৫৭১ কি.মি. বাঁধ (উপকূলীয়, ডুবন্ত ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ) মেরামত ও পুনর্বাসন করা হয়েছে।

২০২৩-২৪ অর্থবছরের ১২১ টি প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।তন্মধ্যে,বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে ৯৬ টি প্রকল্পের অনুকূলে ৭৫৮৫.৭৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের ম্যান্ডেটভুক্ত কার্যক্রম ছাড়াও সুশাসন ও সংস্কারমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। ফলশ্রুতিতে,বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) বাস্তবায়নে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সরকারের ৫১টি মন্ত্রণালয়/বিভাগের মধ্যে বিগত ২০১৮-১৯ থেকে ২০২১-২২ অর্থ-বছরে পর্যন্ত যথাক্রমে ৪র্থ,৫ম,৫ম এবং ৮ম স্থান অর্জন করে। দেশের দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমি পুনরুদ্ধার ও উন্নয়নের ধারণা বাস্তবে রূপায়নের স্বীকৃতি স্বরূপ পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় “বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক-২০২২” লাভ করেছে। দেশের ৩১টি জেলার ৫৫টি উপজেলার ৬১টি পয়েন্টে Google Map এ Google Flood Alert Service এর মাধ্যমে উপজেলা পর্যন্ত বন্যার তাৎক্ষণিক তথ্য ও বন্যা পূর্বাভাস সম্বলিত প্লাবন মানচিত্র এবং আগাম সতর্কবার্তা জনগণের দোড়গোড়ায় পৌছানোর স্বীকৃতি স্বরূপ “ডিজিটাল বাংলাদেশ পুরস্কার-২০২১” এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন কাজের অনলাইন ব্যবস্থাপনা ও পরিবীক্ষণে Scheme Information Management System সফটওয়্যারের জন্য “ডিজিটাল বাংলাদেশ পুরস্কার-২০২২” অর্জন করেছে।

জতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন ছিল বাঙ্গালির আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক মুক্তি। জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নির্দেশনায় পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় অবিরাম কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এ ধারাবাহিকতায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সমাপ্তকৃত ৮০ টি প্রকল্প ও ৪৩০ টি ছোট নদী/খালের শুভ উদ্বোধন এবং নতৃন অনুমোদিত ২০ টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন।

জতির পিতা ‘’স্বপ্নের সোনার বাংলা’’ বিনির্মানের যে স্বপ্ন দেখেছিলেন তা আজ স্বপ্ন নয়।বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির পিতার সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে ২০৪১ সালের মধ্যে সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশের মর্যাদা অর্জনে লক্ষ্য নির্ধারন করে এগিয়ে যাচ্ছেন।

মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন

জনসংযোগ কর্মকর্তা

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর

পুরাতন খবর

SatSunMonTueWedThuFri
  12345
20212223242526
27282930   
       
     12
24252627282930
       
2930     
       
    123
       
    123
25262728   
       
     12
31      
   1234
262728    
       
  12345
2728     
       
   1234
       
     12
31      
1234567
891011121314
15161718192021
2930     
       
    123
11121314151617
       
  12345
20212223242526
27282930   
       
      1
2345678
23242526272829
3031     
      1
       
293031    
       
     12
10111213141516
       
  12345
       
2930     
       
    123
18192021222324
25262728293031
       
28293031   
       
      1
16171819202122
30      
   1234
       
14151617181920
282930    
       
     12
31      
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
       
© All rights reserved © MKProtidin.Com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com